০ Like

নিষিদ্ধঘোষিত বিদ্রোহী গোষ্ঠী কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে সোমবার রাতভর বিমান হামলা চালিয়েছে তুরস্ক। দেশটির বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুলসহ কয়েকটি এলাকায় সন্ত্রাসী হামলার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হল। খবর এএফপি ও রয়টার্সের।
তুর্কি সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসীদের ১৭টি লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হানা হয়েছে।’ তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গত সোমবার দিবাগত রাতে এসব বিমান হামলা চালানো হয়।
ইস্তাম্বুলের একটি থানায় সোমবার সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় একজন পুলিশ সদস্য নিহত ও কয়েকজন আহত হন। একই দিন দেশটির সিরনাক প্রদেশে পৃথক দুটি হামলায় নিহত হন চার পুলিশ ও এক সেনাসদস্য। কুর্দি বিদ্রোহী গোষ্ঠী পিকেকে এসব হামলায় জড়িত বলে দাবি করা হয়। এর জবাবেই তুর্কি সেনাবাহিনী বিমান হামলা জোরদার করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
দেশজুড়ে সন্ত্রাসী হামলা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে গত মাস থেকে প্রতিবেশী সিরিয়া ও ইরাকের ভেতরে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) ও পিকেকে বিদ্রোহীদের ওপর বোমাবর্ষণ করে আসছে তুরস্কের সরকার। তবে এখন পর্যন্ত এই বিমান হামলার বেশির ভাগই চালানো হচ্ছে কুর্দি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে।
গত দুই সপ্তাহে তুর্কি যুদ্ধবিমানগুলো ইরাকের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পিকেকের শিবিরগুলোর পাশাপাশি তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে তাদের শক্ত ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে বোমা ফেলেছে। সোমবার যে সিরনাক প্রদেশে পিকেকের হামলায় পাঁচজন পুলিশ ও সেনাসদস্য নিহত হন, সেটি এই দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলেই অবস্থিত।
সিরনাক প্রদেশে সোমবার রাতেও তুর্কি সেনাবাহিনী পিকেকের হাতে আক্রান্ত হয়েছে। নতুন এ ঘটনায় নিহত হয়েছেন একজন সেনাসদস্য। সেনাবাহিনীর দাবি মোতাবেক, পিকেকের বন্দুকধারী বিদ্রোহীরা সোমবার রাতে সিরনাকের একটি সামরিক চৌকিতে হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত ওই সেনাসদস্য পরে হাসপাতালে মারা যান।
বার্তা সংস্থা এএফপির হিসাব অনুযায়ী, চলমান সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত পিকেকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সহিংসতায় তুরস্কের নিরাপত্তা বাহিনীর ২৯ সদস্যের প্রাণহানি ঘটেছে।
কুর্দি-অবস্থানে-তুর্কি-

 

Advertisements