মজলুম

কিছু ভুলবুঝাবুঝি আগে ক্লীয়ার করি।

* আইএসআইএল  কোন শিয়াকে পাইকারী হত্যা করছে না, বরং শিয়া মিলিশিয়া সন্ত্রাসী গ্রুপ যেমন, সিস্তানির বদর ব্রিগেড, মোকতাদা সদরের মেহেদি আর্মি, রাইটিয়াস লীগ সহ সব ইরানী ট্রেনিং ও অস্র প্রাপ্ত গ্রুপদের লোককে হত্যা করছে, সাথে আছে কিছু শিয়া ইরাকি আর্মি, যাদের হাতে আছে সুন্নিদের রক্ত লেগে আছে। এদের বলা হয় সুন্নি কিলিং মেশিন। এরা দিন রাত সুন্নিদের ঘর হতে উঠিয়ে নিয়ে গিয়া হত্যা করে ইরাককে সুন্নি বিলুপ্ত করতে চাচ্ছে।

* আমেরিকা সাদ্দাম হটিয়ে ইরাকের শিয়াদের ক্ষমতা দেওয়ার পরই কেন আজ সুন্নী অধ্যুষিত বাগদাদে আজ তারাই মাইনরিটি তা জানতে এই লাইভ টিভিতে কল করা  বাগদাদের এক সুন্নীর আর্তনাদ শুনুন।

* ইরাকে আর্মী শুধু ইরাকের শিয়াদের দ্বারা গঠিত কেন?

* কোন সুন্নির নাম আবু বকর, ওমর, উসমান হলেই তাকে হত্যা করা হয় কেন?

গার্ডিয়ানের সাংবাদিক মুনা মাহমুদের রিপোর্টে যতজন ইরাকি  সুন্নির সাথে কথা বলা হয়েছে ওরা সবাই আইএসআইএল এর উপর খুশি কেন?

* শুধু কারজাভি নয়, আল-কায়েদার সাপোর্টার শেখ আবু কাতাদা ও শেখ মাকদিসি ও আইএসআইএল এর বিরোধিতা করছে, অবশ্য এর বিনিময়ে জর্ডান সরকার মাত্র কয়েকদিন আগে তাদের জেল হতে মুক্ত করেছে।

* আইএসএইএল এর বিরোধিতা সৌদিতে থাকা  উলামা, কাতারে থাকা উলামারা তো করবেন, নইলে আইএসএইএল যদি কাতার বা সৌদিকে খেলাপতের অধিনে নিয়ে আসে তাহলে উনারা আরাম আয়েশে থাকবেন কিভাবে।

* প্রথম বিশযুদ্বের পর খেলাফত বিলুপ্তির সময় ফ্রান্স ও ব্রিটেনের মধ্যে যে Sykes-Picot Agreement এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যকে খন্ড বিখন্ড করে ভাগাভাগি করে নিজেদের করে নেয়, সেই বর্ডারকে আইএসএইএল বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছে।

 

 

কেয়ামতের আলামত ও রাসূলের ভবিষৎত বাণীঃ
কেয়ামতের আগে রাসূল (সঃ)যে মালহামার কথা বলেছেন তার মানে একটা যুদ্ব নয় বরং এর অর্থ হলো অনেকগুলো যুদ্ব। যেই যুদ্বে মুসলিমরা দূর্বল থেকে শুরু হবে এবং শেষের দিকে মুসলিমরা অনেক শক্তিশালি হবে।
খোরাসান হতে কালো পতাকাবাহি গ্রুপ বায়তুল মোকাদ্দাস মুক্ত করার ও ইমাম মাহদি সেই গ্রুপে থাকার কথা সহীহ হাদিসে বর্ননা করা হয়েছে। ঐ সময় আফগানিস্তান কে খোরাসান বলা হতো, তাছাড়া এখনও আফগানিস্তানের এক এলাকার নাম খোরাসান। এখন আমারা যদি মানচিত্র দেখি সেই ইসরাইল হতে আফগানিস্তান পর্যন্ত শুধু ইরান ছাড়া সব দেশ যুদ্বরত। তবে ইরান যেভাবে সিরিয়া ও ইরাকে জড়িয়ে পড়ছে তাতে হয়তো ইরান ও ফুলস্কেলে যুদ্বে আসতে পারে। তখন জেরুজালেম হতে আফগানিস্তান পর্যন্ত পুরাটাই হবে গ্রেট রনাঙ্গন।

দেখা যাক রাসূল(সঃ)  এর ভবিষৎবানি কখন মিলে যায়। আর বাকিটা আল্লাহ মালুম।

Advertisements